Loading
Nullam dignissim, ante scelerisque the is euismod fermentum odio sem semper the is erat, a feugiat leo urna eget eros. Duis Aenean a imperdiet risus.
আজকের পটুয়াখালী জেলা প্রাচীনকালে সমতট, হরিকেল ও চন্দ্ররাজ্যের অংশ; মধ্যযুগে স্বাধীন রাজ্য চন্দ্রদ্বীপ; স্বাধীন সুলতানি আমলে বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ; মোঘল আমলে বুজুর্গ-উমেদপুর পরগনার অংশ; ইংরেজ শাসনামলে মহকুমা থেকে পাকিস্তানের শেষভাগে একটি আলাদা প্রশাসনিক ইউনিটের মর্যাদা লাভ করে। এই জেলার একটি অংশ নিয়ে ১৯৮১ সালে বরগুনা নামে আরেকটি জেলার সৃষ্টি করা হয়। দেশের অন্য অঞ্চলের তুলনায় অপেক্ষাকৃত নিম্নভূমি এবং নবীন পললে গঠিত পটুয়াখালীর ভূপ্রকৃতি। প্রতিনিয়ত ভূমিরূপের পরবির্তন ঘটছে এখানে। এরপরও অতি প্রাচীনকালে এখানে জনবসতি গড়ে ওঠার প্রমান পাওয়া যায়।
বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত জেলা পটুয়াখালী। দেশের সবচেয়ে বড় কয়েকটি নদীর মোহনায় এর অবস্থান। ভূতত্ত¡বিদদের মতে হিমালয় থেকে সৃষ্ট পদ্মা ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের পলি থেকে এ অঞ্চলের ভূমি গঠিত। একসময় গঙ্গার সাতটি প্রবাহ ছিল। এর একটি প্রবাহের নাম পদ্মা। গঙ্গা ও পদ্মার রেশ ধরেই জন্ম হয়েছে সুগন্ধা নদীর। সুগন্ধা এখন মৃতপ্রায় নদী। এর থেকে প্রবাহিত তেতুলিয়া, পায়রা, বিষখালী প্রভৃতি বর্তমানে বেশি পরিচিত।
অতীতে পটুয়াখালী ও বাকরগঞ্জের অধিকাংশ স্থান ছিল সুগন্ধা নদীবক্ষে। নদীর উভয় তীরে চর পড়ে এক সময় একটি ভূখÐ তৈরি হয়। এ এলাকা ছিল সুন্দরবনের পার্শ্ববর্তী সমুদ্র বা লেগুন। ধীরে ধীরে মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পলি জমে সাগর ভরাট হয়। ধারণা করা হয় নদীতীরে প্রথমে কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপের সৃষ্টি হয়েছে। পরে এই দ্বীপগুলো ধীরে ধীরে ভূমিসমষ্টিতে পরিণত হয়েছে। এভাবে সৃষ্টি হয়েছে পটুয়াখালীর।
ভূতত্ত¡বিদদে মতে এ অঞ্চলের ভূমিগঠনের প্রথম পর্যায়ে বাউফল ও পটুয়াখালীর সৃষ্টি। দ্বিতীয় পর্যায়ে আমতলী ও গলাচিপা এবং তৃতীয় পর্যায়ে বরগুনা, খেপুপাড়া ও পাথরঘাটা অঞ্চল সৃষ্টি হয়েছে। তবে, এই তত্ত¡ ও তথ্যের মধ্যে নানা বিরোধ থাকলেও এ জেলা যে নদী থেকে সৃষ্টি, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
ফলে এখানকার জমি খুবই উর্বর। প্রতিবছর বর্ষায় নতুন পলি পড়ে জমির উর্বরতা বাড়ে। তাই পটুয়াখালীকে পাললিক জেলাও বলা যায়। এ অঞ্চলের ভূমিগঠনকালে এর বেশিরভাগ এলাকা ছিল হ্রদ বা জলাভূমি। এটি ‘লবন সাগর’ নামে পরিচিত ছিল। উইলিয়াম হান্টার-এর লেখায় বাংলার দক্ষিণাঞ্চলে এক বিশাল ‘লেগুন’Ñএর যে উল্লেখ পাওয়া যায়। অনেকে এই লেগুন ও ‘লবণ সাগর’ একই জিনিস বলে মনে করেন। প্রাকৃতিক কারণে ভূমির ওলট-পালটের ফলে হ্রদের জায়গায় ভূখÐ সৃষ্টি হতে পারে। এ অঞ্চলের ভূমি সাগরেও বারবার নিমজ্জিত হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপকূল বরাবর বিস্তীর্ণ অগভীর অঞ্চল এখনো দৃশ্যমান।
আজকের পটুয়াখালী জেলা প্রাচীনকালে সমতট, হরিকেল ও চন্দ্ররাজ্যের অংশ; মধ্যযুগে স্বাধীন রাজ্য চন্দ্রদ্বীপ; স্বাধীন সুলতানি আমলে বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ; মোঘল আমলে বুজুর্গ-উমেদপুর পরগনার অংশ; ইংরেজ শাসনামলে মহকুমা থেকে পাকিস্তানের শেষভাগে একটি আলাদা প্রশাসনিক ইউনিটের মর্যাদা লাভ করে। এই জেলার একটি অংশ নিয়ে ১৯৮১ সালে বরগুনা নামে আরেকটি জেলার সৃষ্টি করা হয়। দেশের অন্য অঞ্চলের তুলনায় অপেক্ষাকৃত নিম্নভূমি এবং নবীন পললে গঠিত পটুয়াখালীর ভূপ্রকৃতি। প্রতিনিয়ত ভূমিরূপের পরবির্তন ঘটছে এখানে। এরপরও অতি প্রাচীনকালে এখানে জনবসতি গড়ে ওঠার প্রমান পাওয়া যায়।
বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত জেলা পটুয়াখালী। দেশের সবচেয়ে বড় কয়েকটি নদীর মোহনায় এর অবস্থান। ভূতত্ত¡বিদদের মতে হিমালয় থেকে সৃষ্ট পদ্মা ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের পলি থেকে এ অঞ্চলের ভূমি গঠিত। একসময় গঙ্গার সাতটি প্রবাহ ছিল। এর একটি প্রবাহের নাম পদ্মা। গঙ্গা ও পদ্মার রেশ ধরেই জন্ম হয়েছে সুগন্ধা নদীর। সুগন্ধা এখন মৃতপ্রায় নদী। এর থেকে প্রবাহিত তেতুলিয়া, পায়রা, বিষখালী প্রভৃতি বর্তমানে বেশি পরিচিত।
অতীতে পটুয়াখালী ও বাকরগঞ্জের অধিকাংশ স্থান ছিল সুগন্ধা নদীবক্ষে। নদীর উভয় তীরে চর পড়ে এক সময় একটি ভূখÐ তৈরি হয়। এ এলাকা ছিল সুন্দরবনের পার্শ্ববর্তী সমুদ্র বা লেগুন। ধীরে ধীরে মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পলি জমে সাগর ভরাট হয়। ধারণা করা হয় নদীতীরে প্রথমে কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপের সৃষ্টি হয়েছে। পরে এই দ্বীপগুলো ধীরে ধীরে ভূমিসমষ্টিতে পরিণত হয়েছে। এভাবে সৃষ্টি হয়েছে পটুয়াখালীর।
ভূতত্ত¡বিদদে মতে এ অঞ্চলের ভূমিগঠনের প্রথম পর্যায়ে বাউফল ও পটুয়াখালীর সৃষ্টি। দ্বিতীয় পর্যায়ে আমতলী ও গলাচিপা এবং তৃতীয় পর্যায়ে বরগুনা, খেপুপাড়া ও পাথরঘাটা অঞ্চল সৃষ্টি হয়েছে। তবে, এই তত্ত¡ ও তথ্যের মধ্যে নানা বিরোধ থাকলেও এ জেলা যে নদী থেকে সৃষ্টি, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
ফলে এখানকার জমি খুবই উর্বর। প্রতিবছর বর্ষায় নতুন পলি পড়ে জমির উর্বরতা বাড়ে। তাই পটুয়াখালীকে পাললিক জেলাও বলা যায়। এ অঞ্চলের ভূমিগঠনকালে এর বেশিরভাগ এলাকা ছিল হ্রদ বা জলাভূমি। এটি ‘লবন সাগর’ নামে পরিচিত ছিল। উইলিয়াম হান্টার-এর লেখায় বাংলার দক্ষিণাঞ্চলে এক বিশাল ‘লেগুন’Ñএর যে উল্লেখ পাওয়া যায়। অনেকে এই লেগুন ও ‘লবণ সাগর’ একই জিনিস বলে মনে করেন। প্রাকৃতিক কারণে ভূমির ওলট-পালটের ফলে হ্রদের জায়গায় ভূখÐ সৃষ্টি হতে পারে। এ অঞ্চলের ভূমি সাগরেও বারবার নিমজ্জিত হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপকূল বরাবর বিস্তীর্ণ অগভীর অঞ্চল এখনো দৃশ্যমান।